সারা দেশে আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দেশের অধিকাংশ অঞ্চলেই অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি সপ্তাহের মাঝামাঝিতে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের দেওয়া আবহাওয়ার বিশেষ পূর্বাভাষে এ তথ্য জানানো হয়। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই): সকাল ৯টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণের শঙ্কা রয়েছে। এই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। শুক্রবার (২৪ জুলাই): রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু স্থানে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। শনিবার (২৫ জুলাই): খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। রবিবার (২৬ জুলাই): খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা থাকবে প্রায় অপরিবর্তিত। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার কারণে দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় জেলাগুলোতে বৃষ্টির মাত্রা বেশি থাকতে পারে। সে অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নদী ও সমুদ্রবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
সারা দেশে আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দেশের অধিকাংশ অঞ্চলেই অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি সপ্তাহের মাঝামাঝিতে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের দেওয়া আবহাওয়ার বিশেষ পূর্বাভাষে এ তথ্য জানানো হয়। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই): সকাল ৯টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণের শঙ্কা রয়েছে। এই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। শুক্রবার (২৪ জুলাই): রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু স্থানে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। শনিবার (২৫ জুলাই): খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। রবিবার (২৬ জুলাই): খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা থাকবে প্রায় অপরিবর্তিত। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার কারণে দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় জেলাগুলোতে বৃষ্টির মাত্রা বেশি থাকতে পারে। সে অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নদী ও সমুদ্রবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন