ডেস্ক রিপোর্ট: ভারতে ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের উত্তরের প্রধান নদী তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট (স্লুইস গেট) খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আজ সোমবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ডালিয়া বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যারাজ রক্ষার্থে এবং পানির চাপ কমাতে ৪৪টি জলকপাট পর্যায়ক্রমে খুলে দেওয়া হয়েছে।
হঠাৎ পানি বৃদ্ধির ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রামের তিস্তা নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল এবং নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। এতে বসতবাড়িতে পানি ঢোকার পাশাপাশি আমন ধানের ক্ষেত ও শাকসবজির বাগান তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের হাজারো মানুষ পানিবন্দি হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছেন।
পাউবোর কর্মকর্তারা জানান, উজানে ভারতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় তিস্তার পানি আরও বাড়তে পারে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং নদীপাড়ের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
ডেস্ক রিপোর্ট: ভারতে ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের উত্তরের প্রধান নদী তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট (স্লুইস গেট) খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আজ সোমবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ডালিয়া বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যারাজ রক্ষার্থে এবং পানির চাপ কমাতে ৪৪টি জলকপাট পর্যায়ক্রমে খুলে দেওয়া হয়েছে।
হঠাৎ পানি বৃদ্ধির ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রামের তিস্তা নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল এবং নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। এতে বসতবাড়িতে পানি ঢোকার পাশাপাশি আমন ধানের ক্ষেত ও শাকসবজির বাগান তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের হাজারো মানুষ পানিবন্দি হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছেন।
পাউবোর কর্মকর্তারা জানান, উজানে ভারতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় তিস্তার পানি আরও বাড়তে পারে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং নদীপাড়ের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন