নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
জ্বালানি খাতে বাংলাদেশের পরনির্ভরশীলতার দিন শেষ হয়ে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী। তিনি জানান, অভ্যন্তরীণ উৎসের সর্বোত্তম ব্যবহার, নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসার এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশ জ্বালানি খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
আজ সোমবার এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, "একটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার মূল চালিকাশক্তি হলো নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ। অতীতে আমরা আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল ছিলাম, যার ফলে বৈশ্বিক বাজারের ওঠানামার প্রভাব আমাদের অর্থনীতিতে পড়ত। তবে বর্তমান সরকারের দূরদর্শী পদক্ষেপের কারণে অভ্যন্তরীণ গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করা হয়েছে এবং কয়লাভিত্তিক ও পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে জ্বালানির বহুমুখীকরণ নিশ্চিত করা হচ্ছে।"
নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিধি ব্যাপকভাবে বাড়ানো হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি বড় অংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসবে, যা দেশের আমদানি নির্ভরতা একেবারেই কমিয়ে আনবে।
জ্বালানি খাতের চলমান সংস্কারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অপচয় রোধ, সিস্টেম লস কমানো এবং স্মার্ট গ্রিড প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই খাতকে আরও দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। ফলে খুব দ্রুতই বাংলাদেশ একটি আত্মনির্ভরশীল ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
অনুষ্ঠানে টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
জ্বালানি খাতে বাংলাদেশের পরনির্ভরশীলতার দিন শেষ হয়ে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী। তিনি জানান, অভ্যন্তরীণ উৎসের সর্বোত্তম ব্যবহার, নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসার এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশ জ্বালানি খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
আজ সোমবার এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, "একটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার মূল চালিকাশক্তি হলো নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ। অতীতে আমরা আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল ছিলাম, যার ফলে বৈশ্বিক বাজারের ওঠানামার প্রভাব আমাদের অর্থনীতিতে পড়ত। তবে বর্তমান সরকারের দূরদর্শী পদক্ষেপের কারণে অভ্যন্তরীণ গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করা হয়েছে এবং কয়লাভিত্তিক ও পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে জ্বালানির বহুমুখীকরণ নিশ্চিত করা হচ্ছে।"
নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিধি ব্যাপকভাবে বাড়ানো হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি বড় অংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসবে, যা দেশের আমদানি নির্ভরতা একেবারেই কমিয়ে আনবে।
জ্বালানি খাতের চলমান সংস্কারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অপচয় রোধ, সিস্টেম লস কমানো এবং স্মার্ট গ্রিড প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই খাতকে আরও দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। ফলে খুব দ্রুতই বাংলাদেশ একটি আত্মনির্ভরশীল ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
অনুষ্ঠানে টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন