সাতকানিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন ইউএনও।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাতকানিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার ১৩ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে উদ্বোধন হয়।
উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্কাউট সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন,পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।
তিনি প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ এবং তার পরিচর্যার আহ্বান জানান।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা বলেন,
বৃক্ষ শুধু পরিবেশ রক্ষা করে না, বরং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই সামাজিক আন্দোলন হিসেবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে হবে।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত অতিথি, শিক্ষার্থী ও স্কাউট সদস্যরা নির্ধারিত স্থানে গাছের চারা রোপণ করেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস ও জনসাধারণের স্থানে পর্যায়ক্রমে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণে এমন কার্যক্রম নিয়মিত আয়োজন করা হলে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং সবুজায়নের মাধ্যমে এলাকার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ হবে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
সাতকানিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন ইউএনও।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাতকানিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার ১৩ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে উদ্বোধন হয়।
উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্কাউট সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন,পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।
তিনি প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ এবং তার পরিচর্যার আহ্বান জানান।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা বলেন,
বৃক্ষ শুধু পরিবেশ রক্ষা করে না, বরং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই সামাজিক আন্দোলন হিসেবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে হবে।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত অতিথি, শিক্ষার্থী ও স্কাউট সদস্যরা নির্ধারিত স্থানে গাছের চারা রোপণ করেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস ও জনসাধারণের স্থানে পর্যায়ক্রমে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণে এমন কার্যক্রম নিয়মিত আয়োজন করা হলে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং সবুজায়নের মাধ্যমে এলাকার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ হবে।

আপনার মতামত লিখুন