নব্বই দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের তুমুল জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তার লাশ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার সিএমএম আদালত। আদালত লাশ উত্তোলনপূর্বক নতুন করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতি দিয়েছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এই আদেশ দেন। সিআইডি পরিদর্শক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সালমান শাহর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে প্রয়োজনীয় আইনি ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
প্রেক্ষাপট ও মামলার বিবরণ:
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিউ ইস্কাটন রোডের বাসা থেকে সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে হলি ফ্যামিলি এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিনই রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে গত বছরের ২১ অক্টোবর সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর বাদী হয়ে রমনা থানায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হক, বিতর্কিত শিল্পপতি আজিজ মোহাম্মদ ভাই, চলচ্চিত্র অভিনেতা ডন, লতিফা হক লুছি, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবি, আব্দুস সাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদসহ অজ্ঞাতনামা আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। বাদীর দাবি, সালমান শাহকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এই জনপ্রিয় নায়কের মৃত্যুরহস্য উন্মোচনে আদালতের এই আদেশ একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
নব্বই দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের তুমুল জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তার লাশ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার সিএমএম আদালত। আদালত লাশ উত্তোলনপূর্বক নতুন করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতি দিয়েছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এই আদেশ দেন। সিআইডি পরিদর্শক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সালমান শাহর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে প্রয়োজনীয় আইনি ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
প্রেক্ষাপট ও মামলার বিবরণ:
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিউ ইস্কাটন রোডের বাসা থেকে সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে হলি ফ্যামিলি এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিনই রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে গত বছরের ২১ অক্টোবর সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর বাদী হয়ে রমনা থানায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হক, বিতর্কিত শিল্পপতি আজিজ মোহাম্মদ ভাই, চলচ্চিত্র অভিনেতা ডন, লতিফা হক লুছি, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবি, আব্দুস সাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদসহ অজ্ঞাতনামা আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। বাদীর দাবি, সালমান শাহকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এই জনপ্রিয় নায়কের মৃত্যুরহস্য উন্মোচনে আদালতের এই আদেশ একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন