কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার মনিয়ারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি বিস্কুট আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক সুলতানা পারভিন কেয়াকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয় জনতা। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় ও অভিভাবক সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে সরকার থেকে নিয়মিতভাবে বিদ্যালয়ে বিস্কুট বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে দীর্ঘদিন ধরে ওই বিস্কুট বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ ছিল প্রধান শিক্ষক সুলতানা পারভিন কেয়ার বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত বিস্কুটের মজুত থেকে ২৭০ প্যাকেট বিস্কুট আত্মসাৎ করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও স্থানীয়রা বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। বিক্ষোভকারীরা বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্যসামগ্রী আত্মসাতের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। শিশুদের অধিকার নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সুলতানা পারভিন কেয়ার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত থাকলেও এলাকায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার মনিয়ারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি বিস্কুট আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক সুলতানা পারভিন কেয়াকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয় জনতা। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় ও অভিভাবক সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে সরকার থেকে নিয়মিতভাবে বিদ্যালয়ে বিস্কুট বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে দীর্ঘদিন ধরে ওই বিস্কুট বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ ছিল প্রধান শিক্ষক সুলতানা পারভিন কেয়ার বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত বিস্কুটের মজুত থেকে ২৭০ প্যাকেট বিস্কুট আত্মসাৎ করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও স্থানীয়রা বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। বিক্ষোভকারীরা বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্যসামগ্রী আত্মসাতের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। শিশুদের অধিকার নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সুলতানা পারভিন কেয়ার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত থাকলেও এলাকায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন