হঠাৎ বিদ্যালয় পরিদর্শনে সাতকানিয়ার ইউএনও।
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগজনক চিত্র দেখতে পেয়েছেন সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান। পরিদর্শনকালে শিক্ষার্থীদের মৌলিক জ্ঞান, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি এবং পাঠদানের মান নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে আসে।
সোমবার (৮ জুন) বেলা ১১টার দিকে ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান উপজেলার দুইটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি কেঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এবং ছদাহা কেফায়েত উল্লাহ কবির আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ে আকস্মিকভাবে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের অবস্থা ও শিক্ষাগত দক্ষতা যাচাই করেন।
পরিদর্শনকালে কেঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি দেখতে পান, সপ্তম শ্রেণির অনেক শিক্ষার্থী শুদ্ধভাবে ইংরেজি পাঠ করতে সক্ষম নয়। এমনকি সাধারণ ইংরেজি পাঠও অনেকের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একই সঙ্গে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মৌলিক গণিত দক্ষতাও সন্তোষজনক নয় বলে ধরা পড়ে। শতকরা হিসাবের মতো প্রাথমিক ও বুনিয়াদি গণিতের প্রশ্নের উত্তর দিতে ব্যর্থ হয় একাধিক শিক্ষার্থী। বিষয়টি উপস্থিত শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগের সৃষ্টি করে।
এছাড়া বিদ্যালয় দুটিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হারও আশানুরূপ ছিল না। পরিদর্শনের সময় বিভিন্ন শ্রেণিতে ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত শিক্ষার্থী অনুপস্থিত দেখতে পাই।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
হঠাৎ বিদ্যালয় পরিদর্শনে সাতকানিয়ার ইউএনও।
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগজনক চিত্র দেখতে পেয়েছেন সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান। পরিদর্শনকালে শিক্ষার্থীদের মৌলিক জ্ঞান, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি এবং পাঠদানের মান নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে আসে।
সোমবার (৮ জুন) বেলা ১১টার দিকে ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান উপজেলার দুইটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি কেঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এবং ছদাহা কেফায়েত উল্লাহ কবির আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ে আকস্মিকভাবে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের অবস্থা ও শিক্ষাগত দক্ষতা যাচাই করেন।
পরিদর্শনকালে কেঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি দেখতে পান, সপ্তম শ্রেণির অনেক শিক্ষার্থী শুদ্ধভাবে ইংরেজি পাঠ করতে সক্ষম নয়। এমনকি সাধারণ ইংরেজি পাঠও অনেকের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একই সঙ্গে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মৌলিক গণিত দক্ষতাও সন্তোষজনক নয় বলে ধরা পড়ে। শতকরা হিসাবের মতো প্রাথমিক ও বুনিয়াদি গণিতের প্রশ্নের উত্তর দিতে ব্যর্থ হয় একাধিক শিক্ষার্থী। বিষয়টি উপস্থিত শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগের সৃষ্টি করে।
এছাড়া বিদ্যালয় দুটিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হারও আশানুরূপ ছিল না। পরিদর্শনের সময় বিভিন্ন শ্রেণিতে ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত শিক্ষার্থী অনুপস্থিত দেখতে পাই।

আপনার মতামত লিখুন