নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আম খাওয়ানোর প্রলোভনে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
এই ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনির শিকার হয়েছেন অভিযুক্ত মো. ফারুক মোল্লা।
খবর পেয়ে পুলিশ প্রায় দুই ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার (২ জুন) রাত ৩টার দিকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৮ নং ওয়ার্ডের সৈয়দ পাড়া এলাকায় হাজী ফোরকান আহমেদের গরুর খামারে এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃত মোঃ ফারুক মোল্লা পটুয়াখালীর গলাচিপা থানার চর বিশ্বাস এলাকার মৃত আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে। সে বর্তমানে গোদনাইলের সৈয়দ পাড়া এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ফোরকান আহমেদের বাড়িতে ভাড়া থাকতো।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি সৈয়দ পাড়া এলাকায় পরিবারের সাথে বসবাস করে।
সোমবার দিবাগত রাতে ওই শিশু বোনের বাসা থেকে নিজের বাসায় ফেরার পথে প্রতিবেশী অভিযুক্ত মো. ফারুক মোল্লা তাকে আম খাওয়ানোর প্রলোভন দেখায়।
এরপর মেয়েটিকে হাজী ফোরকান আহমেদের গরুর খামারের একটি ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।
এ সময় শিশুটি চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের লোকজন এসে ঘরের দরজায় ধাক্কাধাক্কি করে। একপর্যায়ে ফারুক মোল্লা ঘরের দরজা খুললে শিশুটি বের হয়ে আসে।
উপস্থিত জনতা তার চিৎকারের কারণ জানতে চাইলে সে বিস্তারিত খুলে বলে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় জনতা তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত ফারুক মোল্লাকে গণপিটুনি দেয়।
ঘটনার পর স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বিষয়টি আপোষ-মীমাংসার চেষ্টা চালালে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই মো. জাকিরুল ইসলাম বিপুল সংখ্যক পুলিশ ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ভোর রাত ৩ টার দিকে অভিযুক্ত মো. ফারুক মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যান।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত মো. ফারুক মোল্লা শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টার কথা এবং ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এমদালুল হক বলেন, এই ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছে এবং আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আম খাওয়ানোর প্রলোভনে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
এই ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনির শিকার হয়েছেন অভিযুক্ত মো. ফারুক মোল্লা।
খবর পেয়ে পুলিশ প্রায় দুই ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার (২ জুন) রাত ৩টার দিকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৮ নং ওয়ার্ডের সৈয়দ পাড়া এলাকায় হাজী ফোরকান আহমেদের গরুর খামারে এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃত মোঃ ফারুক মোল্লা পটুয়াখালীর গলাচিপা থানার চর বিশ্বাস এলাকার মৃত আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে। সে বর্তমানে গোদনাইলের সৈয়দ পাড়া এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ফোরকান আহমেদের বাড়িতে ভাড়া থাকতো।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি সৈয়দ পাড়া এলাকায় পরিবারের সাথে বসবাস করে।
সোমবার দিবাগত রাতে ওই শিশু বোনের বাসা থেকে নিজের বাসায় ফেরার পথে প্রতিবেশী অভিযুক্ত মো. ফারুক মোল্লা তাকে আম খাওয়ানোর প্রলোভন দেখায়।
এরপর মেয়েটিকে হাজী ফোরকান আহমেদের গরুর খামারের একটি ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।
এ সময় শিশুটি চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের লোকজন এসে ঘরের দরজায় ধাক্কাধাক্কি করে। একপর্যায়ে ফারুক মোল্লা ঘরের দরজা খুললে শিশুটি বের হয়ে আসে।
উপস্থিত জনতা তার চিৎকারের কারণ জানতে চাইলে সে বিস্তারিত খুলে বলে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় জনতা তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত ফারুক মোল্লাকে গণপিটুনি দেয়।
ঘটনার পর স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বিষয়টি আপোষ-মীমাংসার চেষ্টা চালালে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই মো. জাকিরুল ইসলাম বিপুল সংখ্যক পুলিশ ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ভোর রাত ৩ টার দিকে অভিযুক্ত মো. ফারুক মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যান।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত মো. ফারুক মোল্লা শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টার কথা এবং ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এমদালুল হক বলেন, এই ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছে এবং আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন