কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নে স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার পর নগদ ৩ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন স্বামী মোঃ শামিম মিয়া।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হাসনাবাদ তেলিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ শামিম মিয়ার সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক মোছাঃ হিরা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তারা দাম্পত্য জীবন যাপন করে আসছিলেন। সংসার জীবনে মাঝে মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হলেও পরে তা মীমাংসা হয়ে যেত বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত ৩০ মে ২০২৬ তারিখ গভীর রাতে তার স্ত্রী কাউকে কিছু না জানিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করে জানতে পারেন, তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন। এ সময় তাকে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি আর সংসার করবেন না বলে জানান।
এরপর ঘরের আলমারি খোলা অবস্থায় দেখতে পান শামিম মিয়া। তার দাবি, আলমারিতে জমি কেনার জন্য রাখা নগদ ৩ লাখ টাকা পাওয়া যায়নি। পরে এ বিষয়ে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এ ঘটনায় উভয় পরিবারের মধ্যে আলোচনা হলে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর দাবি, স্ত্রীকে আর শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো হবে না বলে জানানো হয় এবং তাকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মামলা করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় মোঃ শামিম মিয়া নাগেশ্বরী থানা-এ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নে স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার পর নগদ ৩ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন স্বামী মোঃ শামিম মিয়া।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হাসনাবাদ তেলিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ শামিম মিয়ার সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক মোছাঃ হিরা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তারা দাম্পত্য জীবন যাপন করে আসছিলেন। সংসার জীবনে মাঝে মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হলেও পরে তা মীমাংসা হয়ে যেত বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত ৩০ মে ২০২৬ তারিখ গভীর রাতে তার স্ত্রী কাউকে কিছু না জানিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করে জানতে পারেন, তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন। এ সময় তাকে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি আর সংসার করবেন না বলে জানান।
এরপর ঘরের আলমারি খোলা অবস্থায় দেখতে পান শামিম মিয়া। তার দাবি, আলমারিতে জমি কেনার জন্য রাখা নগদ ৩ লাখ টাকা পাওয়া যায়নি। পরে এ বিষয়ে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এ ঘটনায় উভয় পরিবারের মধ্যে আলোচনা হলে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর দাবি, স্ত্রীকে আর শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো হবে না বলে জানানো হয় এবং তাকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মামলা করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় মোঃ শামিম মিয়া নাগেশ্বরী থানা-এ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন